Wednesday, November 30, 2016

যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি ধনী হতে পারবেন না


কোনও মানুষ ভবিষ্যতে মোটা অঙ্কের অর্থ রোজগার করতে সক্ষম হবেন কি না?

আমরা সকলেই জানি জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন রয়েছ। দেশে-বিদেশে সঠিক পদক্ষেপ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সাধারণ অবস্থা থেকে বিপুল অর্থবান হয়ে ওঠার অনেক নিদর্শন রয়েছে। আপনিও একদিন এইভাবে প্রচুর অর্থের মালিক হবার স্বপ্ন দেখতেই পারেন।  কিন্তু বিখ্যাত মিলিয়নিয়র স্টিভ সিবোড বলছেন, কোনও মানুষ ভবিষ্যতে মোটা অঙ্কের অর্থ রোজগার করতে সক্ষম হবেন কি না, তা বর্তমানে সেই মানুষটির মধ্যে থাকা কয়েকটি লক্ষণ দেখেই বুঝে নেওয়া সম্ভব। এমনকী কোন মানুষ অর্থ রোজগারে পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হবেন, তা-ও বোঝা সম্ভব।  স্টিভ জানালেন এমন ন’টি এমন লক্ষণের কথা, যেগুলি কোনও মানুষের মধ্যে বর্তমানে দেখা গেলে নিশ্চিন্ত থাকা যায় যে, তিনি জীবনেও ব্যতিক্রমী মাত্রার অর্থ রোজগার করতে পারবেন না। আসুন, জেনে নেওয়া যাক লক্ষণগুলি:-

 ১. আপনি রোজগারের তুলনায় সঞ্চয়ের উপরের বেশি জোর দেন- অর্থবান হয়ে ওঠার জন্য সঞ্চয়ের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা কখনওই অর্থ উপার্জনের চেয়ে বেশি হতে পারে না। মনে রাখবেন, অর্থ সঞ্চয় তখনই ফলপ্রসূ হবে, যখন আপনি মোটামুটি ভদ্রস্থ একটা অর্থ উপার্জনে সক্ষম হবেন।

২. আপনি বিনিয়োগে তেমন মনোযোগী নন- প্রচুর টাকার মালিক তারাই হতে পারেন, যারা সঠিক সময়ে সঠিক ক্ষেত্রে সঠিক অর্থের বিনিয়োগ করতে পারেন। শেয়ার হোক কিংবা মিউচুয়াল ফান্ড— যথাযথ বিনিয়োগের অভ্যাস যদি অল্প বয়স থেকেই গ়়ড়ে তুলতে না পারেন, তাহলে ভবিষ্যতেও আপনি ঈর্ষণীয় সম্পত্তির মালিক হতে পারবেন বলে মনে হয় না।
 ৩. নিজের রোজগারে আপনি সন্তুষ্ট- নিজের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা ভাল, কিন্তু একথাও সত্য যে, যে কোনও ক্ষেত্রেই সফল হতে গেলে উচ্চাশা থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। অর্থ রোজগারের অ্যাম্বিশন এবং জেদ যদি আপনার না থাকে, তাহলে আর্থিক ক্ষেত্রে আপনার সাফল্য আসবে না।

৪. সাধ্যের বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করা আপনার স্বভাব- সাধ্যের মধ্যে সাধ পূরণ না হলে সাধ্যাতীত রকমের খরচ করে ফেলা যদি আপনার স্বভাব হয়, তাহলে বলতে হবে আপনার এই স্বভাব আপনার অর্থবান হয়ে ওঠার পথে বড় বাধা। খরচ করুন সেটুকুই, যেটুকু আপনার সাধ্যে কুলোয়। নতুবা সঞ্চয়ের পথ কোনওদিনই প্রশস্ত হবে না।

৫. আপনি নিজের নয়, অন্য কারো স্বপ্ন পূরণের জন্য খাটছেন- বাবা-মা, সন্তান বা স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ করা নিশ্চয়ই মহৎ কর্তব্য। কিন্তু সেই স্বপ্ন যদি আপনার নিজেরও স্বপ্ন না হয়ে ওঠে, তাহলে সেই কাজে আপনার সাফল্যের সম্ভাবনা যেমন কমে যায়, তেমনই নিজের আর্থিক উন্নতির জন্য আপনার শ্রম এবং অধ্যবসায়েও ঘাটতি পড়ে। কাজেই অন্য কারো স্বপ্ন পূরণ করতে হলে সেই স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বলে ভাবুন। নতুবা সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব থেকে নিজেকে অব্যাহতি দিন

 ৬. চেনা পথের বাইরে হাঁটতে আপনি অনিচ্ছুক- শুধু আর্থিক ক্ষেত্র বলে নয়, যে কোনও ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্যই সুচিন্তিত ঝুঁকি নেওয়া জরুরি। কিন্তু যে কাজ আপনি আগে কখনও করেননি, তা করার সাহস যদি আপনার না থাকে, তাহলে আপনি অর্থ রোজগারের জন্য প্রয়োজনীয় ঝুঁকিটুকুই বা নেবেন কীভাবে! আরও পড়ুন

৭. আপনার উপার্জনের কোনও সুনিশ্চিত লক্ষ্য নেই- আপনি প্রচুর উপার্জন করতে চান ঠিকই, কিন্তু কেন এই পরিমাণ উপার্জন করতে চান, তা কখনও ভেবে দেখেছেন? উপার্জিত অর্থ নিয়ে আপনি কী করবেন, সে সম্পর্কে আপনার একটা সুনিশ্চিত ধারণা এখন থেকেই থাকা অত্যন্ত জরুরি। লক্ষ্যহীনভাবে অর্থ রোজগার করতে গেলে মাঝপথে লক্ষ্যচ্যুত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল।

৮. আপনি প্রথমে খরচ করে নেন, তারপর অবশিষ্ট অর্থটুকু সঞ্চয় করেন- অত্যন্ত বাজে অভ্যাস। আইডিয়ালি হওয়া উচিত ঠিক এর উল্টোটা। মাসের শুরুতেই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয়ের জন্য তুলে রাখুন। তারপর অবশিষ্ট অর্থে মাস গুজরানের চেষ্টা করুন।

৯. আপনার ধারণা, বড়লোক হওয়া আপনার পক্ষে সম্ভব নয়- যে কোনও কাজেই সাফল্যের জন্য আত্মবিশ্বাস যে অপরিহার্য, তা কি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে! নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। বিশ্বাস করুন যে, আর্থিক ক্ষেত্রে আপনার সাফল্য আসবেই। তবেই তো একদিন সফল হতে পারবেন।

Thursday, November 10, 2016

এ বার চাকরিও খুঁজে দেবে ফেসবুক

বন্ধুত্ব, সেলফি, চ্যাট, প্রোমোশনের পর এ বার আপনাকে চাকরি পেতেও সাহায্য করবে ফেসবুক। সোমবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয় পেজ অ্যাডমিনিস্টররা নিজেদের পেজে ‘জব ক্রিয়েট’ অপশন দিয়ে চাকরির খবর পোস্ট করতে পারবেন, এবং সেই পেজে আবেদনও রিসিভ করতে পারবেন। এই অ্যাপ্লিকেশন সফল হলে কিছুটা ধাক্কা খেতে পারে লিঙ্কডিন কর্পোরেশনের রিক্রুটিং বিজনেস।
ফেসবুকের এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানান, অনেক ছোটখাটো ব্যবসায়ী এখন নিজেদের সংস্থায় চাকরির খবর ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। এই কাজই আরও ভাল ভাবে করতে আমরা ‘জব ক্রিয়েট’ নিয়ে আসার কথা ভেবেছি। এই মুহূর্তে লিঙ্কডিনের আয়ের মূল উত্স বিভিন্ন সংস্থার চাকরির পোস্ট ও যারা চাকরি খুঁজছেন তাঁদের বায়োডেটার জন্য দেওয়া অর্থ থেকে। ফেসবুক জব ক্রিয়েট অপশনের ক্ষেত্রেও সোশ্যাল মিডিয়ায় অর্থের বিনিময় চাকরির খবর পোস্ট করতে পারবে বিভিন্ন সংস্থা।
অক্টোবর মাসে ফেসবুক নিয়ে আসে মার্কেটপ্লেস। এর সাহায্যে সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা করতে পারেন ইউজাররা।

Wednesday, November 9, 2016

রোজ গোল্ড হার্টবিট রিং।

দূরে থেকে ও প্রিয় জনের হার্টবিট শোনাবে এই আংটি!


অনেক দিন হল আপনারা আলাদা আলাদা শহরে রয়েছেন। রোজ ফোনে কথা, ইমেল, চ্যাট সব হলেও সারা দিন মিস করেন? আর বার বার দেখতে থাকেন আঙুলে থাকা আংটি? এই আংটিই তো দেয় আপনাদের দূরে থেকেও কাছে থাকার অনুভূতি। যদি এমনটা হত যে মিস করলেই ছুঁয়ে দেখতেন আংটি, আর অনুভব করতে পারতেন এর অপরের ধুকপুক?
না, কোনও রূপকথা নয়। সত্যিই এমন আংটি নিয়ে এসেছে দ্য টাপ। যার নাম দেওয়া হয়েছে হার্টবিট রিং। যেই আংটি হাতে থাকলে প্রেমিক-প্রেমিকা অনুভব করতে পারবেন একে অপরের হার্টবিট। স্টেনলেস স্টিলের ওপর নীলকান্ত মণি বসিয়ে তৈরি এই আংটি ঘষা লাগলে যেমন নষ্ট হবে না, তেমনই জল ঢুকলেও খারাপ হবে না। মোট ছ’টি আলাদা ধরনে পাওয়া যাবে এই আংটি। চাইলে কিনতে পারেন রোজ গোল্ড হার্টবিট রিং।
কী ভাবে কাজ করবে এই আংটি?
প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রী একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করে, আংটির সঙ্গে কানেক্ট করে, প্রিয় জনের সঙ্গে জোড় (যে ভাবে ব্লু-টুথ পেয়ারিং করা হয়) তৈরি করলেই একে অপরের হার্টবিট অনুভব করতে পারবেন তাঁরা। আংটির মধ্যে রয়েছে ব্লু-টুথ কানেক্টেড হার্ডওয়্যার। ১৬০ স্ট্যান্ডবাই টাইম ও ১৪ ঘণ্টার অ্যাক্টিভিটি। প্রিয় জনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার পর আংটি লাগিয়ে দিন রিং বক্সে থাকা চার্জারের সঙ্গে। আর অনুভব করুন আপনার প্রিয় মানুষটার হার্টবিট।





চা পাতা না ফেলে কাজে লাগান

চা পাতা না ফেলে কাজে লাগান



দৈনন্দিন জীবনে চা খান না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। ঘরে বা বাইরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কাপ চা তৈরি হয়। ফেলে দেয়া হয় মণ কে মণ চা পাতা। কিন্তু এই অকাজের চা পাতাও কিন্তু অনেক কাজে ব্যবহার করা যায়।
ঘরে যদি টি ব্যাগ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে চা বানানোর পর সেই টি ব্যাগ ফেলে না দিয়ে রেখে দিন। ত্বকের পরিচর্যার সময়ে এই টি ব্যাগ চোখের উপর রেখে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। চা পাতার কল্যাণে চোখের চারপাশের কাল দাগ বা ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে যাবে। এছাড়া চোখের চারপাশের ফোলা ভাব দূর করতেও টি ব্যাগ ভূমিকা রাখে।
আপনার ত্বক যদি হয় শুকনো, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ত্বকের উপর ছিটিয়ে দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে ত্বকের আদ্রতা দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের ময়লাও দূর হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।
চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে শ্যাম্পুর মতো করে গ্রিন টি লাগাতে পারেন চুলে। অথবা ব্ল্যাক টি। গ্রিন টি চুলের বৃদ্ধি ঘটাবে আর ব্ল্যাক টি চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাবে। চা মাখানোর ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন।
যাদের পায়ে মোজা পরলে দুর্গন্ধ তৈরি হয় তারা চা পাতার সাহায্য নিতে পারেন। এক হাড়ি পানিতে এক চা চামচ ব্ল্যাক টি দিয়ে ভালো মতো সেদ্ধ করুন। তারপর সেই পানি দিয়ে পা মুছে নিন। দূর্গন্ধ দৌড়ে পালাবে।
সাধারণত বেসিনের আয়না কিছুদিন পরই ঘোলাটে হয়ে যায়। আয়নার ঘোলাটে ভাব দূর করতে ব্যবহৃত টি ব্যাগ দিয়ে আয়না ভালো মতো ঘষুন। তারপর আয়না ধুয়ে দেখুন কেমন চকচকে হয়। রান্নাঘরে চুলার আশেপাশের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতেও ব্যবহৃত ভেজা টি ব্যাগ ব্যবহার করুন।
কারও মুখে ঘা হলে কিংবা দাঁত তোলার পর ব্লিডিং হলে ঠাণ্ডা লিকার দিয়ে ধীরে ধীরে কুলি করুন। রোগ ভালো হয়ে যাবে।
চা পাতার সবচেয়ে বড় উপকার হলো ত্বকের ব্রণ নিরাময়ে ভূমিকা রাখা। অল্প একটু চা পাতা দিয়ে লিকার তৈরি করে সেই লিকার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ব্রণ সারবে অল্প ক’দিনেই।


Monday, November 7, 2016



বিমানযাত্রা। অনেকের কাছে শখের আবার অনেকের কাছে আতংকের। তবে রোমাঞ্চিত এ যাত্রায় বেশিরভাগই মানুষই আগ্রহী।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন রয়েছে সরকারি বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা, তেমনই রয়েছে বেসরকারি সংস্থার বিমান।

তবে, যাত্রী আকর্ষণে কিছু সংস্থা এমন কিছু নিয়ম চালু করেছে যা অভিনব তো বটেই, কিছুটা বিচিত্রও। 
  
২০০৮ সালে জার্মানির একটি বিমান সংস্থা 'ট্যা রিচেস্ট' তাদের যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ রুটে চালু করে এক পরিষেবা। সেই পরিষেবা অনুসারে যাত্রীরা আরফুর্ট থেকে বাল্টিক সি-এর একটি রিসোর্টে যাওয়ার জন্যই ওই পরিষেবাটি পাওয়া যাবে। সেখানে যাত্রীরা বিমানে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েই উঠতে পারেন। এখানেই শেষ নয়, গোটা রাস্তাটাই তারা বিমানে নগ্ন অবস্থায়ই সফর করতে পারবেন। ওই রিসোর্টেও তারা ওই একই পরিস্থিতিতেই থাকতে পারেন বলে সংস্থার তরফে জানা গেছে। 

সানি লিওনকে বিয়ে করতে চান আমির!




শিরোনামটা দেখে চমকে ওঠারই কথা। দু'জনেরই সংসার আছে। তার উপরে একজন বলিউড সুপারস্টার, অন্যজন বলিউডে উষ্ণতা ছড়ানো সাবেক পর্নতারকা। তাহলে আমিরের প্রতি এমন অভিযোগের তীর কেন? সমালোচকরা বলছেন, আমির নাকি সানির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বেশি ঘনিষ্ঠ হতে চাইছেন। সম্প্রতি এমন বেশকিছু নজিরও নাকি পাওয়া গেছে। এদিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যখন হেনস্তার শিকার সানি লিওন, তখন তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন আমির খান। পরে তার ছবির সেটে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন সানি ও তার স্বামীকে। বলিপাড়ায় সকলেই যখন পর্নস্টার হওয়ার সুবাদে সানির ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে চলতে চান, তখন ব্যতিক্রম আমির। কিন্তু তাই বলে তাকে বিয়ে করতে চান তিনি! কিন্তু অভিযোগ তো উঠেছে! দিওয়ালির পার্টিতেও সানি ও ড্যানিয়েলকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন আমির। আর তাতেই তার নামে উঠেছে এ কথা। যিনি এ অভিযোগ তুলেছেন তিনি অবশ্য স্বনামধন্য, স্বঘোষিত চিত্র সমালোচক কামাল আর খান। দিওয়ালি পার্টিতে সানিকে নিমন্ত্রণের জন্যই আমিরকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে কামাল লিখেছেন, আমির যদি সানিকে বিয়েও করেন তাহলে তিনি অবাক হবেন না। এমনকী এ জন্য যদি কিরণকে ডিভোর্সও করতে হয় তাহলেও নাকি রাজি হয়ে যাবেন আমির। কামালের মতে, পর্নস্টারের সঙ্গে এমন মাখোমাখো সম্পর্ক রাখার জন্য লজ্জা হওয়া উচিত আমিরের। আরও একধাপ এগিয়ে আমিরের ধর্মাবলম্বন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কামাল। তার অভিযোগ, নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ প্রমাণ করতেই সানিকে প্রমোট করছেন আমির, তবে তিনি ভুল করছেন। কেননা এতে হিতে বিপরীত হবে। আমিরের দঙ্গল এতে বিপাকে পড়বে বলেও মনে করছেন তিনি। বলিপাড়ায় অজয়-করণ বিবাদের মূলে ছিলেন এই কামাল আর খানই। হঠাৎ তিনি কেন আমিরকে নিয়ে পড়লেন, তা নিয়ে দ্বিধায় অনেকে। কামালের টুইট বাণে যতই বিবাদ ঘনাক, প্রমোশন পেয়েছিল করণ ও অজয়ের ছবি দুটি। সামনেই দঙ্গল-এর মুক্তি। তবে কি আমির, সানিকে নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়ে দঙ্গলেরই প্রমোশন করছেন কামাল?

পুরুষের শরীরের যে অঙ্গগুলো নারীদের বেশি পছন্দ



পুরুষের দেহের বিশেষ কিছু অঙ্গ আছে, যেগুলোতে নারীরা বেশি আকর্ষণ বোধ করেন। সম্প্রতি এক গবেষণায় ১০০ জন নারীকে কয়েকটি প্রশ্ন করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। গবেষণার আলোকে অঙ্গগুলো হলো-
এক. প্রসস্থ বুক
পুরুষদের চওড়া বা প্রসস্থ বুক নারীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে একটি। যদিও অনেক পুরুষ আছেন, যারা জিমে গিয়ে অস্বাভাবিক দেহ তৈরি করেন। এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বুকই নারীরা পছন্দ করেন। এছাড়া চওড়া বুকের অধিকারী পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তারা যখন ঘামেন তখন তাদেরকে অনেক বেশি আকর্ষর্ণীয় লাগে বলে অধিকাংশ নারীরা জানিয়েছেন।
দুই. চওড়া কাঁধ
বেশিরভাগ নারীরাই বলেছেন, তারা পুরুষদের চওড়া কাঁধকেই অনেক বেশি পছন্দ করেন। তাদের ভাষ্যমতে যার কাঁধ যত বেশি চওড়া হবে সেই পুরুষ তত বেশি হট আর সুদর্শন। তিন. আকর্ষণীয় পেশী পেশীবহুল পুরুষকে যে কারও দেখতে ভালো লাগে। যদিও তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। নারীরা জানিয়েছেন, পুরুষকে তখনই অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখায়, যখন তার পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠে। চার. সুমিষ্ট ঠোঁট একজন পুরুষের ঠোঁটও অনেক বেশি আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদেরই বেশি পছন্দ করেন। পাঁচ. স্বাস্থ্যকর হাত
নারীরা পুরুষদের অস্বাস্থ্যকর বাহু একেবারেই পছন্দ করেন না। তারা স্বাস্থ্যকর হাত পছন্দ করেন। যেখানে কোন অতিরিক্ত মেদ থাকবে না।  
ছয়. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ
নারীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গটি হল একটি স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়। যৌনাঙ্গের বিষয়ে নারীরা যে বিষয়গুলো চেয়ে থাকেন, লিঙ্গটি হতে হবে গন্ধমুক্ত, পরিস্কার, রোগমুক্ত আর উপভোগ্য শক্তিসম্পন্ন।


Tea Seller Upoma Bidree


অন্য অনেকের মতো ভারতীয় তরুণী উপমা ভির্দি উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানকার ঠান্ডা পরিবেশে মানিয়ে নিতে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি। ভারতে থাকা অবস্থায় ঠান্ডায় মানিয়ে নিতে দাদার কাছ থেকে শিখেছিলেন মসলা ওয়ালা চা-পান করা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে তা না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এই তরুণী। আর তারপরই নিজেই নিজের ভাগ্য বদলে ফেলেন।
উপমার দাদা ছিলেন একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক। আর তার কাছ থেকেই বিভিন্ন মশলা এবং ভেষজের গুণাগুণ শিখেছেন তিনি। আর সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসে বাজিমাত করছেন ছাব্বিশ বছর বয়সী এই তরুণী। নিজেই শুরু করে দেন মসলাদার চা বিক্রি। সামাজিক মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এই ‘চা ওয়ালি’ উপমা একদম চা সাম্রাজ্য তৈরি করে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়।
উপমা পেশায় একজন আইনজীবী। কাজের ফাঁকে চা বিক্রির ব্যবসাও জমিয়ে তুলেছেন। সেখানকার মানুষদের আকৃষ্ট করতে নিজের নাম দিয়েছেন ‘চা ওয়ালি’। আর তার চায়ের রূপ-রস-বর্ণ-গন্ধে সবাই বেশ মজেছেও। 
উপমা ভির্দির নিজের সমস্যা তো মিটলোই, সেই সঙ্গে বাড়তি হিসেবে কফির সাম্রাজ্যে  চায়ের নতুন পরিচিতি দিলেন এই তরুণী। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়ান বিজনেস অ্যান্ড কমিউনিটি তাকে ‘বিজনেসওমেন অফ দ্য ইয়ার’ খেতাব দিয়েছে ।


- See more at: http://www.bd-pratidin.com/mixter/2016/11/07/182965#sthash.sCaF6TmF.dpuf
তিমির ৮০ কেজি বমি পেয়ে বেজায় খুশি ওমানের খালিদ আল সিনানি ও তার দুই সঙ্গী। যেন তারা আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ পেয়েছেন। ২০ বছর ধরে ওমানের সমুদ্রে ভেসে বেড়ানোর ফল তারা পেয়েছেন অক্টোবর মাসের ২০ তারিখে। ওই বমির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সাত রাজার ধন। কারণ ভাসমান তিমির বমি অতি বিরল বস্তু। যা কালেভদ্রে নিরক্ষীয় এলাকায় গভীর সমুদ্রে পাওয়া যায়। মোমের মতো এই তরল তিমির শুক্রানুর সঙ্গে মিশে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে নিঃসৃত হয়। তরল অবস্থায় এর থেকে বিকট গন্ধ বের হয়। কিন্তু শুকিয়ে গেলেই এর সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সুগন্ধীর বাজারে এই কারণেই মহামূল্যবান তিমির বমি। ২০ অক্টোবর দুই বন্ধুকে নিয়ে ওমানের কুরায়ত এলাকায় মাছ ধরতে যান খালিদ। তখনই বিকট গন্ধ নাকে আসে। পানিতে ভাসমান ঘন তরল দেখে চিনতে ভুল হয়নি দক্ষ জেলের। সঙ্গে সঙ্গে তা তুলে নিয়ে আসেন। দু’দিন পর থেকেই দুর্গন্ধ যখন সুগন্ধে রূপান্তরিত হয়, তখন আর খুশির ঠিকানা ছিল না তিন বন্ধুর। তিমির ৮০ কেজি বমি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন ওই তিন বন্ধু। বাজারে ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

Sunday, November 6, 2016





এবার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলতে চলেছেন শ্রীলঙ্কান সুন্দরী জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ। অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার পর এবার তাকে দেখা যেতে পারে এ তালিকায়। জ্যাকুলিন নিজের ফেসবুকে ঘোষণাও দিয়েছেন, ৬০ সেকেন্ড অ্যাবডোমিনাল প্ল্যাঙ্ক ধরে রেখে ১০০ মহিলার সঙ্গে গিনেস বুকে নাম তুলবেন তিনি। রিলায়েন্স জিও গার্ডেনে তিনি এ রেকর্ড গড়বেন। জ্যাকুলিনের ডু ইউ ক্যাম্পেনের অংশ এটি। নিজের ব্র্যান্ডের প্রোমোশনও করবেন তিনি। জ্যাকুলিন জানিয়েছেন, নারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ও লক্ষ্য স্থির করতে তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। ফিটনেস নিয়ে জ্যাকুলিন সব   সময়ই সচেতন। আগামী বছর ম্যারাথনেও দৌড়াবেন। ফিটনেস বজায় রাখতে ওয়ার্কআউট ছাড়া ডায়েটিং করাকে তিনি সময় নষ্ট বলে মনে করেন।

নেপালের আলোচিত সেই সবজিবিক্রেতা

পাকিস্তানের নীল চোখের চা-বিক্রেতা আরশাদ খানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরপরই ইন্টারনেট মেতেছিল নেপালি সবজিবিক্রেতাকে নিয়ে। মেয়েটির অসাধারণ সৌন্দর্য্য ও আপাত সরলতার প্রশংসা করে টুইটার ব্যবহারকারীরা তার ছবি ভাইরাল করলেও তার নামটি এতদিন অজানা ছিল সকলের। বলা হচ্ছে, দূর থেকে ঐ মেয়েটির ছবি তুলেছিলেন এক পর্যটক। অবশেষে সেই মেয়েটির পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম কুসুম শ্রেষ্ঠা, বয়স ১৮। খবর বিবিসির। এর আগে, অজ্ঞাত পরিচয় নেপালি এই মেয়েটি স্থানীয় এক বাজারে সবজি বিক্রি করছেন ও সবজি বহন করছেন - ইন্টারনেটে এমন ছবি ছড়িয়ে পড়ে। তার সবজি বহনের ছবি টুইটারে পোস্টের পর "মিট দ্য#নেপালি #তরকারিওয়ালি#এবং #সবজিওয়ালি নামে টুইটারে নেপালের সবজিবিক্রেতার ছবি ট্রেন্ডিং হিসেবে পোস্ট হতে থাকে। বিবিসি জানায়, কুসুম শ্রেষ্ঠার পরিবার থাকে নেপালের রাজধানী শহর কাঠমুন্ডু থেকে প্রায় ৫৫ মাইল দূরে গোর্খা এলাকার বাগলিংয়ে। শ্রেষ্ঠা দেশটির চিতওয়ান জেলার একটি কলেজে পড়েন এবং ছুটির দিনে পরিবারকে সাহায্যের জন্য সবজি বিক্রি করে থাকেন। কলেজের ছুটিতে ওই সবজি বিক্রির কাজের সময় তার ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। যেসব ছবি ইন্টারনেট মাত করেছিল, তার একটি ছিল তিনি একটি ঝুড়িতে সবজি নিয়ে যাচ্ছেন, মুখে হাসি। আরেকটি ছবিতে তিনি বাজারে সবজি বিক্রির সময় মোবাইলে কথা বলছেন। ফটোগ্রাফার রূপচন্দ্র মহারজান নেপালি একটি ব্লগসাইট, গুন্ডরুক পোস্টকে জানিয়েছেন গোর্খা এবং চিতওয়ানের মাঝামাঝি একটি ব্রিজ থেকে শ্রেষ্ঠার ছবিগুলো তোলা হয়েছে। ইন্টারনেটে খ্যাতি পাওয়া এই শ্রেষ্ঠা বিবিসিকে জানান, ছবি ভাইরাল হওয়ার কাহিনী তিনি প্রথম তার এক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারেন। তিনি বলেন, "আমার বন্ধু বললো, তুমি কি সেই মেয়ে যার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে? আমি তখনো কিছুই জানতাম না!" "তারপর ওই ছবিগুলো আমাকে পাঠানোর পর আমার মনে হলো আরে এগুলো তো আমারই ছবি। ওটা আমার সবজি বেচার দিন ছিল। রূপচন্দ্র আমার ছবি তুলেছিল, তবে তোলার সময় আমি জানতাম না যে সে ছবি তুলছে"। ইন্টারনেটে এভাবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ায় রীতিমতো অবাক হয়ে গেছেন কুসুম শ্রেষ্ঠা। পাকিস্তানের চা-ওয়ালার মতো তিনিও যদি মডেলিংয়ের প্রস্তাব পান, তাহলে কি করবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে কুসুম শ্রেষ্ঠ বলেন "হ্যাঁ, করব।" আপাতত ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়ছেন কুসুম শ্রেষ্ঠা। পড়া শেষে তিনি নার্সের প্রশিক্ষণ নিতে চান। কারণ বাবার চোখে লাজুক এই মেয়েটির ইচ্ছা যে নার্স হয়ে রোগীদের সেবা করা।