Sunday, December 25, 2016

পাঁচ সুন্দরী রমণীর ছবি ভাইরাল যে কারণে!


অপদেবতার  আবির্ভাবে  ঘাবড়ে গিয়েছেন পাঁচ সুন্দরী রমণী  

 সুন্দরী রমণীদের ছবি ভয় পাইয়ে দিচ্ছে সবাইকে!সুন্দরী রমণীদের ছবি নিয়ে হইচই নেট-দুনিয়ায় প্রায়ই হয়। তার সঙ্গে যদি যোগ হয় নগ্নতার মতো বিষয়, তবে সেই ছবি ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগে না কিন্তু এই পাঁচ সুন্দরী রমণীর ছবি ভাইরাল হল অন্য কারণে!

জানা গিয়েছে, এই পাঁচ রমণী পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আসন্ন বড়দিন উপলক্ষে তারা আয়জন করেছিলেন এক ঘরোয়া পার্টির। সেখানে তারা ছাড়া আর কেউই উপস্থিত ছিলেন না। পার্টির হইহুল্লোড়ের মধ্যেই বন্ধুরা ঠিক করেন, ছোটবেলায় যেমন তারা একসঙ্গে গোসল করতেন, সেরকম ভাবেই একটি ছবি তুলে তারা সেই ছবি পোস্ট করবেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু তখনও তারা জানতেন না, কী ভায়াবহ চমক অপেক্ষা করে রয়েছে তাদের জন্য।

এবার ছবিটা একটু ভাল করে খেয়াল করে দেখুন। ছবিটার ভাল ভাবে তাকালেই দেখতে পাবেন, বাথটবের পিছনের জানলার কালো কাচে ধরা দিয়েছে এক অশরীরীর ছায়া। জানলার কাচে একটা হাত রেখে সে তাকিয়ে রয়েছে গোসলরত সেই নারীদলের দিকে।

এই ব্যাপারটা আবিষ্কার করার পর থেকেই ছবিটা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেট-দুনিয়ায়। এমনকী ঘাবড়ে গিয়েছেন সেই পাঁচ নারীরাও। অপদেবতার আবির্ভাবের আশঙ্কায় নিজেদের নামধামও তারা আর প্রকাশ
করছেন না।

সাগরের ‘ভয়ঙ্কর ভূত’


মাছগুলো অন্য দুনিয়া থেকে পৃথিবীতে চলে এসেছে


মাছগুলোর মুখ দেখে মনে হবে যেন তারা শয়তানের দূত।এমন ভয়ঙ্কর দর্শনের মাছের দল আচমকা দেখা দিল সমুদ্রে।আর এ মাছ দেখার পর নানাবিধ প্রশ্ন ঘুরতে শুরু করেছে মানুষের মনে। কেউ বলছেন এই হলো পৃথিবীর শেষের শুরু। কারও দাবি, অদ্ভুত এই মাছ পাল্টে দেবে দুনিয়ার জীববৈচিত্র্যের ইতিহাস। যার ফলে উৎসাহিত মত্স্য বিশেষজ্ঞরা। রোমান ফেদোরতসভ একজন রুশ মত্স্যজীবী। তিনি রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূল অঞ্চলে মাছ ধরেন। তার জালে ধরা পড়েছে কিছু ভয়ঙ্কর মুখের মাছের দল। তা দেখে রীতিমতো ভড়কে গেছেন তিনি। মাছগুলোর সম্পর্কে জানাতে গিয়ে একটি ব্লগে ছবিসহ বিবরণ পোস্ট করেছিলেন। এরপরেই চমক লেগেছিল জীব বিজ্ঞানীদের মধ্যে। তারা জানায়, এ সব মাছ অন্য ধরনের হাঙরজাতীয় প্রাণী। ভয়ঙ্কর দাঁতওয়ালা এসব প্রাণীর ছবি দেখে মনে হতেই পারে এরা অন্য দুনিয়া থেকে পৃথিবীতে চলে এসেছে।এ মাছগুলোকে দেখে ভূত বলেই মনে হবে। সত্যি কি এগুলো মাছ কিনা তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এরা ইঁদুরের মতো দেখতে। কোনোটার আবার সবুজ রঙের ভৌতিক চোখ। কোনোটার লাল চোখ। প্রত্যেকেই একে অপরের তুলনায় ভয়ঙ্কর।ছবিগুলো দেখে ছড়িয়ে পড়েছে শোরগোল। আর এদের সঙ্গে প্রচলিত সামুদ্রিক মাছের কোনো মিল নেই।

Friday, December 23, 2016

সামান্য কিছু ভুলের জন্য হারিয়ে ফেলতে পারেন প্রিয় মানুষটিকে


প্রতারণা সম্পর্ক নষ্ট করার অন্যতম কারণ




সামান্য কিছু ভুলের জন্য হারিয়ে ফেলতে পারেন প্রিয় মানুষটিকে। ভেঙে যেতে পারে অনেকদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক।সেজন্য আগে থেকেই সচেতন হতে হবে আপনাকে, যাতে করে বিচ্ছেদের যন্ত্রনার ভেতর দিয়ে আপনাকে যেতে না হয়। এ ক্ষেত্রে কী কারণে সম্পর্ক ভাঙে, আপনাকে আগে থেকেই সে ব্যাপারে বগত থাকতে হবে। সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে এ রকম কিছু কারণগুলো সম্পর্কে পরিচিত হয়ে নিন-

১. সারাক্ষণ সঙ্গীর সঙ্গে নেতিবাচক কথা বললে সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ে। তাই সম্পর্ক যদি টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে সঙ্গীর সঙ্গে যতটা সম্ভব ইতিবাচক কথা বলুন।

২. বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেলে সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না। সঙ্গী যদি একবার আপনার ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে আর কখনোই সম্পর্কটি আগের মতো হবে না। তাই সম্পর্কে বিশ্বাস টিকিয়ে রাখুন।

৩. প্রতারণা সম্পর্ক নষ্ট করার অন্যতম কারণ। আপনার যদি সঙ্গীকে ভালো নাই লাগে, তাহলে তাঁকে বিষয়টি খুলে বলুন। হয়তো সমঝোতার মাধ্যমে দুজনেই সুখী হতে পারবেন। তাই বাজেভাবে সম্পর্ক নষ্ট করতে না চাইলে প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন।

 ৪. যোগাযোগের ঘাটতি থাকলে সম্পর্ক বেশিদিন টিকে না। জোর করে কোনো কিছুই ধরে রাখা যায় না। তাই নিজেদের সম্পর্ককে চাঙ্গা রাখতে যোগাযোগ বজায় রাখুন।

 ৫. সঙ্গীর অতীত নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। সবারই কোনো না কোনো অতীত থাকে। এগুলো ধরে রাখলে কখনোই সুখী হতে পারবেন না। আর সম্পর্কটা টিকিয়েও রাখতে পারবেন না।

 ৬. সঙ্গীর প্রতি অবহেলা সম্পর্ককে সাদামাটা করে ফেলে। যাঁকে ভালোবাসেন, তাঁকে অযথা অবহেলা করবেন কেন বলুন? ভালোবাসার মানুষকে ধরে রাখতে শিখুন। না হলে সম্পর্কটা শেষমেশ টিকিয়ে রাখতে পারবেন না।

৭. নিজের প্রতি যত্ন না নেওয়া। এতে সঙ্গী আপনার প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলবে। আর আকর্ষণ না থাকলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা খুবই কঠিন।

Tuesday, December 20, 2016

ভুলেও যে পাঁচ রাশির মেয়েদের ঘাঁটাবেন না

নারীরা রেগে গেলে তার আসল রূপ দেখতে পাবেন



নারীদের ঘাঁটানো কোন কাজের কথা নয়। নারীরা রেগে গেলে তার আসল রূপ দেখতে পাবেন।আবার রাগ গলে পানি হয়ে যাবে। আর পাশ্চাত্য জ্যোতিষ জানাচ্ছে, পাঁচ রাশির মহিলাদের না ঘাঁটানোই মঙ্গল।

* বৃষ:- এই রাশির জাতিকারা অত্যন্ত জেদি। সমঝোতায় তাদের বিশ্বাসই নেই। একবার খেপলে তাদের ঠাণ্ডা করা দুরূহ। তবে সময় দিলে তারা শান্ত হয়ে যান। মনে ক্ষোভ জমলে তারা সরব হয়ে ওঠেন।

* সিংহ:- এই রাশির জাতিকাদের চরিত্রে নাটকীয়তা বেশি। তারা প্রভাবিত করতে চান সবাইকেই। মাথায় রাগ চাপলে তারা নিজের অবস্থান থেকে এক চুলও নড়েন না। তর্কে এরা খুবই দড়। এমনিতেই এরা মাথা গরম। রেগে গেলে প্রতিপক্ষকে অপমান করতে একটুও পিছপা হন না।


* বৃশ্চিক:- এই রাশির কন্যরা মনে করেন তারাই ঠিক। এই নিয়ে জেদাজেদি প্রায়ই ঘটতে পারে। এরা আবার রাগ পুষে রাখেন। শোধ না তোলা পর্যন্ত এরা শান্তি পান না।


* ধনু :- এরা উদারচেতা। কিন্তু মাথায় রাগ চাপলে মুখে কিছু আটকায় না এদের। কিন্তু রাগ পড়লে এরা একেবারেই পানি।

* মেষ :- এদের মেজাজ এমনিতে ঠাণ্ডা। সহজে আবেগ প্রকাশ করেন না। কিন্তু একবার যদি রাগ চাপে, তা হলে এদের সামলানো দায় হয়ে পড়ে।

চোখের সৌন্দর্যে


জেনে নিন চোখ যেভাবে সাজাবেন



আমরা কোনো উৎসব সামনে রেখে পছন্দের পোশাক পরি, সুন্দর করে মেকআপ করি। কিন্তু আমাদের চোখর চারপাশে কালো দাগ থাকলে সব প্রস্তুতির পরও আমাদের চেহারা অনেক খানি মলিন করে দেয়।


ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে
স্বাস্থ্যকর খাবার: ডার্ক সার্কেল দূর করতে নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি (লেবু কমলা, মরিচ) কে (বাধা কপি, ফুল কপি, টমেটো, শাক) এবং ই( ভুট্টা, বাদাম, মাছ, তেল) সমৃদ্ধ খাদ্য রাখুন। 
অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস: ধূমপানসহ সব ধরনের মাদক থেকে দূরে থাকুন। ডার্ক সার্কেল দূর করতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।
ব্যায়াম: শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত এবং অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় প্রবাহিত করতে আমাদের দৈনন্দিন কাজ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
ব্লাড সার্কুলেশন: চোখের চারপাশের রক্তচলাচল বাড়াতে কয়েক ঘণ্টা পরপর চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে আমাদের ক্লান্তিভাবও কেটে যাবে। 
ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষা: বাইরে সূর্যের আলোতে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে ভুলবেন না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকের ক্ষতি রোধ করে সুরক্ষা দেয় সানস্ক্রিন ক্রিম।
পানি: আমাদের চোখের ত্বকের চারপাশ শরীরের অন্য জায়গার ত্বকের চেয়ে অনেক পাতলা হয়। তাই দেহে পানির অভাব হলে চোখের ত্বক কুঁচকে যায়। এজন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। 
প্রতি রাতে ময়েশ্চারাইজার: চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করতে যুদ্ধ করছেন? ত্বক পরিষ্কার করে প্রতিদিন রাতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
মেকআপ: আমরা খুব সহজে চোখের ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে পারি। তবে এটা কোনো দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মেকআপ করে কালো দাগ আড়াল করা   যায়। আর এজন্য কনসেলার ব্যবহার করে পেতে পারেন ঝটপট সমাধান।
জেনে নিন চোখ যেভাবে সাজাবেন-
চোখের আকারের ওপর নির্ভর করে চোখ সাজান
চোখের পাতা ও ভেতরের দিকে প্রথমে হালকা রঙ-এর আইশ্যাডো দিন
পরে চোখের পাতার ওপরের দিকে এবং ভ্রুর নিচে গাঢ় আইশ্যাডো লাগান
ভ্রুর শেষ অংশ থেকে নিচে সাদা আইশ্যাডো দিয়ে হাইলাইট করুন
এবার চিকন আইলাইনার বা কাজল চোখের ওপরের পাতায় এবং বাইরের কোণ পর্যন্ত টেনে দিন
নিচের পাতায় খুব চিকন করে কাজল দিন
চাইলে নিচের পাতায় কাজল না দিয়ে শুধু মাশকারা দিতে পারেন
চোখের ওপরের পাপড়িতে দুইবার মাশকারা দিন এতে চোখ বড় ও সজীব লাগবে
চোখের নিচের পাতার কোণের সঙ্গে কাজল টেনে ওপরের অংশের সঙ্গে মিলিয়ে দিন
চোখে ভাসা ভাসা একটা ভাব আনতে আঙুল দিয়ে চোখের ওপরের পাতার কাজল একটু ওপরের দিকে ঘষে মিশিয়ে দিন।
রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। দিনে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা।

আমাদের দ্বিতীয় মস্তিষ্ক পাকস্থলী!


মস্তিষ্ক নাকি আসলে দু’টি!




আমাদের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। আচরণ, চিন্তা, এমনকি আমাদের শারীরিক গঠন কেমন হবে- সবই নিয়ন্ত্রিত হয় মস্তিষ্ক থেকে। অবাক করা কথা হলো, আমাদের মস্তিষ্ক নাকি আসলে দু’টি!

যুক্তরাষ্ট্রের আসাপ সায়েন্স নামে একটি গবেষণা টিমের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হচ্ছে। তারা বলছে, পাকস্থলীর সঙ্গে সম্পৃক্ত নালী (কোলন) ‘এনটারিক নারভাস সিস্টেম’ নামে একগুচ্ছ স্নায়ু আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে। 
ওই গবেষক দলের দাবি, আমরা যতটা ধারণা করি- দ্বিতীয় মস্তিষ্কের প্রভাব আমাদের ওপর তার চেয়ে অনেক বেশি।
চিকিৎসাশাস্ত্র এই দ্বিতীয় মস্তিষ্ককে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করছে। কারণ, এটি কেবল আমাদের খাদ্যনালী থেকে শুরু করে মলদ্বার পর্যন্ত পরিপাকতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে না- গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, মস্তিষ্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হলেও এই দ্বিতীয় মস্তিষ্ক শরীরকে সচল রাখতে সক্ষম! 
এখানেই শেষ নয়, আমাদের মনের ওপরও রয়েছে এর আশ্চর্য রকম নিয়ন্ত্রণ। দ্বিতীয় মস্তিষ্ক নাকি আমাদের মানসিক অবস্থা এবং আচরণ দু’টিই নিয়ন্ত্রণ করে!
আমাদের শরীরের প্রায় অর্ধেক ডোপামিন (ডোপামিন হলো একটি হরমোন এবং ক্যাটেকোলামাইন ও ফেনাথ্যালামিন পরিবারের একটি নিউরো ট্রান্সমিটার যা মানব মস্তিষ্ক ও শরীরের বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজে দরকার হয়) এবং ৯০ শতাংশ সেরোটোনিন (সেরোটোনিন হলো মস্তিষ্কের স্নায়ুকে সংযোগকারী একটি নিউরোট্রান্সমিটার, যার রাসায়নিক নাম ৫-হাইড্রক্সিট্রিপ্টামিন। রক্তনালিকায় রক্ত প্রবাহে সাহায্য করে এটি এবং মানুষের ভালো থাকার অনুভূতি দেয়। যে কারণে একে সুখানুভূতির হরমোনও বলা হয়। যদিও এটি হরমোন নয়, এটি একটি মনোএমাইন। অনেক উদ্ভিদ এবং ছত্রাকে সেরোটোনিন পাওয়া যায়) আসে কোলন থেকে। এখানে থাকা ব্যাকটেরিয়া হরমোন দু’টি ব্যবহার করে আমাদের ভালো থাকার অনুভূতি দেয়। আবার এই ব্যাকটেরিয়াগুলো মস্তিষ্কে সরাসরি নির্দিষ্ট কিছু খাবারের চাহিদার কথা জানায়।
গবেষণা দলের নেতা যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের দ্য ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ডেভিড জেফেন স্কুল অব মেডিসিনের সাইকায়াট্রি অ্যান্ড বিহেভিয়রাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক এমেরান মায়ের বলেন, এই প্রক্রিয়াটা এতো জটিল যে এর একমাত্র কাজ হলো কোলন পরিষ্কার রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা।
তবে ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে না, আমাদের মনের ওপর এদের প্রভাব রয়েছে। খাদ্যাভাসের জন্য যে কোনো বয়সী মানুষ বিষণ্নতা এবং উদ্বেগে ভুগতে পারেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়া আমাদের ব্যক্তিত্ব পাল্টে দিতে পারে। পাকস্থলীতে ব্যাকটেরিয়া ভালো থাকলে মানুষ অনেক বেশি ক্ষমাশীল এবং সামাজিক হয়ে ওঠে।

ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পোশাক বিড়ম্বনা


বিশ্বসুন্দরীর  পোশাক দেখে অনেকেরই চোখ কপালে উঠেছে!


ঐশ্বরিয়া রাইয়ের গুণমুগ্ধের সংখ্যা কম নয়। যেখানেই তিনি যান, সেখানেই ভক্তরা তাকে ঘিরে ধরেন।কিন্তু ইদানীং অবশ্য ঐশ্বরিয়া রাইকে নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। তিনি নাকি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছেন। তার সঙ্গে নাকি বচ্চন পরিবারের বনিবনা হচ্ছে না।

‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে রণবীর কপূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের পরেই নাকি দূরত্ব তৈরি হচ্ছে ঐশ্বরিয়া রাই ও স্বামী অভিষেক বচ্চনের। এরকম কত কী শোনা যায়। যার সবটা সত্যি নয়। অবশ্য সেলিব্রেটিদের নিয়ে এমন গসিপ হয়েই থাকে। এর মধ্যে নতুনত্ব আর কী!

এ হেন ঐশ্বরিয়া রাই বহুবার পোশাক বিড়ম্বনার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এমন সব পোশাক পরে ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ঐশ্বরিয়ার সেই সমস্ত পোশাক দেখে অনেকেরই চোখ কপালে উঠেছে। অনেকেই বুঝে উঠতে পারেননি এই ঐশ্বরিয়া রাই কীভাবে বিশ্বসুন্দরী হন!অনেকে বলেছেন, এই নাকি বিশ্বসুন্দরী! পোশাকের সঙ্গে যায় না এমন সব জিনিস হাতে নিয়েও ছবি তুলেছেন। গলায় এমন অলংকার পরে ছবি তুলেছেন, যা দেখে অনেকেই ঐশ্বরিয়াকে বলেছিলেন, নতুন বাপ্পি লাহিড়ি। কালো পোশাক পরিহিতা ঐশ্বরিয়ার হাতে সাদা পার্স। তা নিয়ে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী।

অবশ্য এখন ঐশ্বরিয়া রাই অনেক পরিণত। মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে দেখা যায় তাকে। টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বেশ ভদ্রস্থ পোশাকেই দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। তাহলে কি তিনি নিজেকে এখন অনেক বদলেছেন। হয়তো তাই। বয়স মানুষকে অনেক কিছু শেখায়।





























মিষ্টি সম্পর্ক তৈরির বিশেষ কিছু কৌশল!

 সম্পর্কে চিড় ধরলে তা কিভাবে সামাল দেয়া যায় তার সুন্দর কিছু উপায়।



মানুষ একা বাস করতে পারেনা। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন এমন একাধিক সম্পর্ক নিয়েই আমাদের পথচলা। সম্পর্কের টানাপোড়েনে কখনো সম্পর্ক মধুর, কখনো তিক্ত। তবে সম্পর্কে তিক্ততা বা চিড় ধরলে তা কিভাবে সামাল দেয়া যায় তার সুন্দর কিছু উপায় রয়েছে।

দীর্ঘ চলার পথে আমরা নিজেরা যদি একটু ছাড় দিই, বোঝাপড়া করি নিজেদের মধ্যে, তাহলে শীতল সম্পর্কও উষ্ণ হয়ে ওঠে। কৌশলটা কেবল জানা চাই। কোনো কোনো মানুষের স্বভাবই থাকে অন্যের ওপর কর্তৃত্ব দেখানোর। পরিবারেই হোক, বন্ধুদের বেলাতেই হোক কিংবা কর্মক্ষেত্রে। কেউ কেউ হয়তো নেহাত সম্পর্ক রক্ষার খাতিরে এই কর্তৃত্ব মেনে নেয়। কখনো মুখ ফুটে কিছু বললেই হলো। ব্যস, ঝামেলা বেধে যায়। কিন্তু নিজেকেও বুঝতে আমার এই কতৃত্ব ফলানোতে কারো কোনো ক্ষতি হচ্ছে কিনা!

দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের ওঠানামা, সম্পর্কে জট বাঁধে কখনো কখনো। ভালোবেসে কিংবা দেখে-শুনে হোক, বিয়ে মানে অনেক সময় একটি জটিল অঙ্কও। তবে বুঝতে পারলে উত্তরটা বেশ সোজা। শ্বশুরবাড়ির রসায়নটিও কম জটিল নয়। নতুন বউ, নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেবে, কেবল এই মানিয়ে নেয়া যেন সেই বউটির দায়িত্ব, অন্যের কোনো দায়ই নেই। এটা করা ঠিক নয় পরিবারের সবাই যদি ঘরে আসা নতুন বউকে আদর করে মানিয়ে নেয়। তাহলে তো বিষয়গুলো সবার জন্য সহজ এ জটমুক্ত হয়।

পরিবারে সবার মতামতও সবসময় এক হয় না। একসঙ্গে থাকতে গেলে মনোমালিন্য স্বাভাবিক ব্যাপার। এমন কিছু ঘটলে দুপক্ষই সামাল দিন। সামনাসামনি মিটিয়ে ফেলুন। অযথা তিলকে তাল না করাই ভালো।

নতুন বিয়ের পর স্বামীকে চোখে হারাবেন ঠিকই। কিন্তু সংসারে সবার সঙ্গে আলাপ বাড়াতে হবে, তাদেরও সময় দিতে হবে। অনেক স্বামী বড় খুঁতখুঁতে। পান থেকে চুন খসলে মেজাজ গরম। সবকিছু নিখুঁত হতে পারে না—এই সরল সত্যটিই মানতে চান না স্বামী। এ বড় অন্যায়। আধুনিক নাগরিক জীবনের মর্মে ঢুকে গেছে দৌড় দৌড় ইঁদুরদৌড় আর টেনশন। তাই সবাই ব্যস্ত। স্বামী-স্ত্রী দুজনে কর্মজীবী হলেও সংসারের বড় দায়িত্ব যেন স্ত্রীতেই বর্তায়। এই কালচার এখনো তেমন পাল্টায়নি।

অফিস থেকে ফিরে স্বামী অফিস ফেরত স্ত্রীর কাছে দাবি করেন ধূমায়িত এক কাপ চা ও নাশতা। শেয়ারিং ও কেয়ারিং যেন একপেশে, তবে ব্যতিক্রমও আছে। স্বামী-স্ত্রীর সংসারে অবশ্য মনান্তর হবে, ঝগড়াঝাঁটি, মান-অভিমান, ভুল-বোঝাবুঝির ক্ষণগুলো আসবে, একান্ত কাছের এই সম্পর্কের এই রংও বদলায়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিল-অমিলও হবে। কেউ হয়তো ‘বেড টি’ ভালোবাসেন, কেউ দাঁত না মেজে খান না। কেউ গল্পের বই পড়তে পড়তে ঘুমান, কেউ চান ঘর অন্ধকার ঘুম। আলো জ্বাললে ঘুমাতে পারেন না।

কিন্তু অমিলগুলো বড় করে দেখা কেন? কম-বেশি ছাড় দিয়ে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে নিলেই হয়। পরিবারের পাঁচজনের সঙ্গে তো পথ চলতে হবে। সমস্যাকে যদি মনে করা হয় চলার পথে নিজের শক্তিপরীক্ষা—জীবন হলো কৌতুক রস বজায় রেখে চলা, ভালোবাসার মানুষকে বুঝতে শেখা। তাহলেই তো হলো উভয়ের সুখের তরী ভাসবে আরো সহজে।

একজনের অপরের উপর প্রভুত্ব বিস্তারের প্রয়াস কেন? নিজের মূল্যবোধ অন্যের ওপর চাপানো কেন? বাড়ির বাজার কী হবে, বউ কার সঙ্গে মিশবে, কোন পোশাক পরবে, সন্তানের সব ধরনের সিদ্ধান্তই চাপান স্বামী। এটি না করে দৃষ্টিভঙ্গিতে উদারতা আনতে হবে। অন্যকে ছোট করে দেখার প্রবণতা এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে তিক্ততা বাড়বে।

ভালোবাসার মানুষকে জায়গা দিন, বুঝতে শিখুন, পরস্পর বোঝাপড়া দৃঢ় করুন। পরস্পর বন্ধু হয়ে উঠুন। দুজনে একসঙ্গে একান্তে কিছু সময় কাটান। বিশেষ কোনো দরকার না থাকলেও ফোন করে, এসএমএস করে খোঁজখবর নিন।কর্তৃত্বপরায়ণ মনোভাব থাকে, এমন কিছু বন্ধুও হয় কখনো কখনো। ধরা যাক, বন্ধুরা মিলে কোথাও যাবে, সবটার মধ্যে একধরনের ছড়ি ঘোরানোর প্রবণতা থাকবে তার। এটি থেকে বন্ধুত্বেও ফাটল ধরে। আমরা যেন বুঝি মনান্তর মিটে যেতে যেতেও মিটে না যখন দুয়ার আগলে দাঁড়ায় অহং। পরস্পরকে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে একই টিমের খেলোয়াড় ভাবা সুখের চাবিকাঠি।

অফিসেও সে রকম সহকর্মীদের সঙ্গে অশান্তি হয়। অফিসের ছোট অশান্তি যেন বড় না হয়, তাও দেখতে হবে দুপক্ষকেই। প্রয়োজন নিজের মধ্যে আন্তরিক যোগাযোগ বাড়ানো। ছোটখাটো মনোমালিন্য মনে পুষে না রাখাই ভালো।


তেলাপোকা বিলুপ্ত হলে মানুষের অস্তিত্বে প্রভাব পড়বে!


আমাদের বেঁচে থাকার জন্য তেলাপোকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ




তেলাপোকা দেখে ভয় পায় না বা ঘৃনা করেনা এমন মানুষ খুব কমই আছে। এই বিরক্তিকর প্রাণীকে
খতম করতে ঘরের এই কোনা থেকে ওই কোনা ছোটাছুটি করতে হয় অনেকই। কিন্তু জানেন কি,
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য তেলাপোকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে!

টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শ্রিনি কামভাপটিয়া তেলাপোকার উপর গবেষণা করে জানান, 
পৃথিবীতে অনেক প্রাণীই আছে যারা তেলাপোকা শিকার করে বেঁচে থাকে। যেমন- ইঁদুর।
আবার পৃথিবীর কিছু অঞ্চলের মানুষও তেলাপোকা খায়। তেলাপোকা বিলুপ্ত হয়ে গেলে মানুষ ও
 ইঁদুর বিলীন হয়ে যাবে, এমন নয়। তবু তেলাপোকা না থাকার প্রভাব পড়বে পৃথিবীতে।

এই জীববিজ্ঞানী আরো জানান, তেলাপোকা বিলীন হলে তেলাপোকা ভক্ষণকারী পাখি ও প্রাণী, 
যেমন- বিড়াল, নেকড়ে, নির্দিষ্ট প্রজাতির সরীসৃপ, ঈগল ও পাখিদের বিভিন্ন প্রজাতি ইত্যাদির
ওপর প্রভাব পড়বে। নির্দিষ্ট কিছু প্রাণী আছে, যেমন- একধরনের বোলতা বেঁচে থাকার জন্য 
পুরোপুরিভাবে তেলাপোকার ওপর নির্ভর করে। তাই তেলাপোকা না থাকলে এই ধরনের বোলতা 
পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

শ্রিনির মতে, বেশির ভাগ তেলাপোকা ক্ষয়িষ্ণু জৈব পদার্থ আহার করে থাকে, যা বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন
কে বন্দি করে। জঙ্গলে তেলাপোকা ক্ষয়িষ্ণু পাতা ও কাঠ ভক্ষণ করে। যখন তেলাপোকা মলত্যাগ 
করে তখন মাটির সঙ্গে নাইট্রোজেন মিশে যায়। গাছের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় 
একটি উপাদান এবং তাই অরণ্যের জন্যও অত্যাবশ্যকীয়। অরণ্য আমাদের টিকে থাকার জন্য 
কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলাই বাহুল্য।

পৃথিবীতে প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির তেলাপোকা আছে বলেও জানান তিনি। এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি 
আছে যারা আসলেই বেশ আকর্ষণীয়। কিছু আছে যা জোনাকির মতোই অন্ধকারে আলো বিকিরণও
 করতে পারে। তেলাপোকা উষ্ণ ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়ায় বাস করে। ৩০০ মিলিয়ন বছর 
আগের তেলাপোকার জীবাশ্ম পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে বিজ্ঞানীরা বলছেন, তেজস্ক্রিয়তার মধ্যেও তেলাপোকা বেঁচে থাকতে পারে, যা মানুষের পক্ষে 
সম্ভব নয় এবং এরা এক মাস পর্যন্ত না খেয়েও বাঁচতে পারে। এদের সহ্য ক্ষমতাও অত্যধিক। 




ভালোবাসেন বলে যেসব কাজ কখনোই করবেন না



ভালোবাসা নাকি অন্ধ




জীবন চলার পথে ভালোবাসার সম্পর্কের গুরুত্ব খুব বেশি। এর মাধ্যমে একজন অচেনা মানুষকে খুব সহজে আপন করে নেয়া যায়। তাই বলা হয়ে থাকে, ভালোবাসা নাকি অন্ধ। একজন আরেকজনকে ভালোবেসে বিভিন্ন রকমের পাগলামি করে থাকে। প্রেমকে অতি গুরুত্ব দিয়ে অনেকেই এমন কাজ করেন যে পরে অনুতপ্ত হতে হয়। এই অনুতাপ করার আগে কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে আপনার জীবন আর দুর্বিষহ হবে না।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে। বিডিলাইভ পাঠকদের জন্য দেয়া হলো সেসব বিষয় যা ভালোবাসার জন্য কখনোই করা উচিত নয়। 

# বন্ধুত্ব নষ্ট করা
বন্ধুত্ব সহজে কারো সঙ্গে গড়ে উঠে না। তাই জীবনে চলার পথে ভালো বন্ধুর দরকার আছে। শুধু ভালোবাসার দোহাই দিয়ে বন্ধুত্ব নষ্ট করা নেহাত ভুল সিদ্ধান্ত বরং বিয়ের পর বন্ধুদের প্রয়োজন আরো বেশি প্রয়োজন।

# স্বপ্ন বিসর্জন
সম্পর্কের জন্য নিজের স্বপ্ন ত্যাগ করা ঠিক নয়। যদি আপনি সারা জীবন আক্ষেপের সঙ্গে কাটাতে না চান, তাহলে কোনো অবস্থাতেই নিজের স্বপ্ন বিলীন হতে দেবেন না।

# ব্যক্তিত্ব নষ্ট না করা
আপনার সঙ্গী যদি অর্থ উপার্জন কিংবা কোনো কারণে আপনাকে লোভী হতে বলে এবং খারাপ কাজ করতে বলে, তা করবেন না। ভালোবাসার কারণে ভুলেও নিজের ব্যক্তিত্ব  হারাবেন না এবং সত্ত্বাকে বিসর্জন দিবেন না।

# পরিবার ত্যাগ করা
সঙ্গী যদি পরিবার ত্যাগ করার পরামর্শ দেন, তাহলে সতর্ক হোন। কেননা, সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ কখনো পরিবার ছাড়ার কথা বলবে না।

# নিজেকে পরিবর্তন করা
সঙ্গী যদি আপনাকে কথায় কথায় পরিবর্তন হতে বলেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার প্রতি তিনি আন্তরিক নন। কেননা, সত্যিকারের ভালোবাসা সেটাই, সেখানে সঙ্গীর সবকিছুকে আপন ভেবে গ্রহণ করা হয়।

# প্রচুর অর্থ ব্যয় করা
ভেবে দেখুন তো, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সঙ্গীর পেছনে কত টাকা ব্যয় করছেন? সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যদি আয়ের বেশির ভাগ অর্থ সঙ্গীর পেছনে ব্যয় করতে হয়, সেটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।





পৃথিবীর যে জায়গাগুলোতে থাকার জন্য টাকাও পাওয়া যায়!


দেখে নিন কোন জায়গায় কি সুবিধে পেয়ে যেতে পারেন।

  
অপরূপ সব জায়গা সেগুলো। সেখানে প্রকৃতির সঙ্গে জীবনের মেলবন্ধনে নেয়া হয়েছে নানান পন্থা। জায়গাগুলোতে প্রকৃতি সত্যিই কথা বলে। এমন সব জায়গায় থাকার বাসনা তো সকলের মনের কোনে থাকতেই পারে। ধরুন এমন একটা জায়গায় থাকার সুযোগ মিলে তো গেলই, আর সঙ্গে যদি পেয়ে যান উপরি হিসেবে কিছু টাকা, অথবা ফ্রি থাকার জায়গা? অবাক হলেও এটা সত্যি। পৃথিবীর বেশ কিছু জায়গাতেই থাকার সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যেতে পারেন চমকপ্রদ সব সুবিধে। দেখে নিন কোন কোন জায়গায় এমন সুবিধে পেয়ে যেতে পারেন।

ডেট্রয়েট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অটোমোবাইল রাজধানী এই শহর। বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে শহরটি জৌলুস হারাতে শুরু করে। দিনে দিনে জনমানবহীন হয়ে যায়। কিন্তু ফের সেখানে জীবন ফিরিয়ে আনতে নেওয়া হয়েছে ‘চ্যালেঞ্জ ডেট্রয়েট’। এই প্রোজেক্টে প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে বিনামূল্যে থাকার সুযোগ তো দেওয়াই হবে, তাদের জন্য কাজের ব্যবস্থাও করা হবে।

নায়াগ্রা ফলস: পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাতের কাছে থাকার সুযোগ দেয় স্থানীয় প্রশাসন। সরকার গ্রাজুয়েটদের সাত হাজার ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। শর্ত একটাই ফলসের কাছাকাছি গড়ে ওঠা কোনও প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হবে।

আলাস্কা: আপনি কি শীত ভালবাসেন? শ্বেত তুষারাবৃত ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে আলাস্কা। এখানে সরকারের একটি আলাদা ফান্ড রয়েছে। পেশাদার লোকেরা আলাস্কায় বাস করতে চাইলে সরকার তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করবে। আপনাকে একটি শর্ত পালন করতেই হবে। তা হল, অন্তত এক বছর থাকতে হবে ওখানে।

পনগা: উত্তর-পূর্ব স্পেনের সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে থাকা এই গ্রামটিতে জনবসতি খুবই কম। অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি যুগলকে এখানে এসে থাকার জন্য তিন হাজার ইউরো দেওয়া হয়।


উট্রেচট: নেদারল্যান্ডসের এই শহরে প্রতিটি নাগরিককে এক হাজার ডলার করে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। 


সাস্কাটচেয়ান: কানাডার এই প্রদেশ সুযোগটি দিচ্ছে শুধুমাত্র যোগ্যতাসম্পন্ন গ্রাজুয়েট ছেলে-মেয়েদের জন্য। যারা এখনও তাদের কেরিয়ার কী ভাবে গড়বেন ঠিক করেননি তাদের জন্য রয়েছে অনন্য সুযোগ। তারা সাত বছর পর্যন্ত ২০ হাজার কানাডিয়ান ডলার পাবেন এখানে থাকা এবং কাজ করার জন্য।


নেবরাস্কা: মার্কিন মুলুকের এই জায়গায় ঘটেছে মজার একটা বিষয়। প্রশাসন স্থানীয় বাসিন্দাদের সুযোগ দিয়েছে, তারা জমি বিনামূল্যে পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। বিনিময়ে সেখানকার উন্নতির জন্য কী কী গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে। 















Saturday, December 3, 2016

বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের বিজ্ঞান সম্মত ৫ কারণ!


ভালবাসায় পড়লে মানুষের তিনটি ব্রেন সিস্টেম কাজ করে।



প্রত্যেক মানুষই নিজের প্রিয়জনকে খুব ভালবাসে। সেই ভালবাসাটাকে সম্মানও করে সবাই। তেমনই আবার অনেক মানুষই কোনও না কোনওভাবে জড়িয়ে পড়েন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে। চরিত্রগত সমস্যা ছাড়াও আরও অনেক কারণে এই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ভালবাসা কিন্তু কোনও অনুভূতি নয়, বরং এটি একটি ব্রেন সিস্টেম। তারা জানিয়েছেন ভালবাসায় পড়লে, মানুষের তিনটি ব্রেন সিস্টেম কাজ করে। প্রথমত, সেক্স ড্রাইভ, দ্বিতীয়ত, প্রেমে রোমান্টিসিজম এবং তৃতীয়ত, সঙ্গী বা সঙ্গীনির সঙ্গ।তারা আরও বলেন, মানুষ যখন প্রেমে পড়েন, তখন এই তিনটি সিস্টেম আলাদা আলাদাভাবে কাজ করে। একজনের সঙ্গে প্রেমে পড়লে, অনেক মানুষই অন্য আরেক জনের জন্য তীব্র ভালবাসা অনুভব করতে পারেন। আর সেক্স ড্রাইভ কাজ করতে পারে একের বেশি মানুষের জন্যও। লাইফ অ্যান্ড সোল বিজ্ঞানী রামান লিয়াম্বার মতে, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেন। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটা চাহিদা হয়ে দাঁড়ায়। আর কিছু মানুষ স্রেফ স্ট্রেস কাটাকে এই ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এমনকী স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও। এবার জেনে নিন, বিবাহ-বহির্ভূত বিজ্ঞান সম্মত ৫টি কারণ সম্পর্কে:-
 ১। শুধুমাত্র যৌনাকাঙ্খা পূরণ করতে-এই ধরনের সম্পর্ক প্রায়ই দেখা যায়। শুধুমাত্র সেক্সের জন্য একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরা এদের জীবনসঙ্গী বা জীবনসঙ্গীনিকে ছাড়তে কোনওভাবে রাজি নন। এরা শয্যাসঙ্গী। বিছানার উষ্ণতাই এদেরকে কাছে টানে। তবে এই ধরনের সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না।

২। আবেগপ্রবণ সম্পর্ক-অন্য নারীর প্রতি অনুভুতি থাকা কিংবা আবেগপ্রবণ সম্পর্কও কিন্তু সেক্সুয়াল সম্পর্কের মতো পাপ বলেই ধরা হয়। এই ধরণের সম্পর্ক একেবারে মানসিক। এরা প্রতিনিয়ত নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলা, ম্যাসেজ বিনিময় করে। সময় পেলেই একে অন্যের বিষয়ে ভাবে। শারীরিক সম্পর্ক না থাকলেও প্রতিটি গোপন মুহূর্তের কথা শেয়ার করে এরা।

৩। বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে-বর্তমান সঙ্গীর প্রতি একপ্রকার বিরক্ত হয়েও এই ধরণের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক মানুষ। এরা নিজেদের সঙ্গী বা সঙ্গীনিকেও ছাড়তে চান না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ৯০ শতাংশ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক এই ভাবেই গড়ে ওঠে। বর্তমান সময়ে স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে কোনও সমস্যা হলে সেই সমস্যা না মিটিয়ে একে-অপরকে দোষারোপ করে। ফলে বিরক্ত হয়েই কোনও ব্যক্তি এই ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

৪। কাল্পনিক সম্পর্ক- মানুষ চাহিদামতো কল্পনার জন্ম দিতে পারে। ধরা যাক, আপনার কোনও কলিগ বা বন্ধু আপনার সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করে। আর আপনিও ভেবে নিয়েছেন যে সে সবকিছু ছেড়ে আপনার সঙ্গে থাকতে শুরু করবে। এমনটা বহু ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

৫। শারীরিক ও মানসিক সম্পর্ক-যে কোনও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে এ ধরনের সম্পর্ক সবথেকে ভয়ানক। শারীরিক এবং মানসিক দুই দিক থেকেই জড়িয়ে পড়ে দু'জন। বলা যেতে পারে, বাস্তবে তারা একসঙ্গেই রয়েছেন। একাত্মভাবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের সম্পর্ক খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়। তবে এই ধরনের সম্পর্কের ভবিষ্যত ডিভোর্স এবং পুনর্বিবাহ।

Friday, December 2, 2016

পাইলসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়


মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ।

বর্তমানে পাইলস বা হেমোরয়েড পরিচিত একটি রোগ। সাধারণত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষজন এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। মলদ্বার ফুলে যাওয়া, মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ লক্ষণ। মূলত কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য,  শারীরিক কার্যকলাপ, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দিতে পারে। এই রোগে হলে সাধারণত ওষুধ বা অপারেশন মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। তবে ঘরোয়া উপায়েও অনেক সময় এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। যেমন:-

 * অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। যা সাময়িক কষ্ট লাগব করতে বেশ সহায়ক।

* অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পরই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

* অলিভ অয়েলের গুণাগুণ  আপনি যদি প্রতিদিন এক চা চামচ করে অলিভ অয়েল খান। তবে এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করবে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করবে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। দেখবেন ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্যথা কমে গেছে।

* বরফ ব্যবহার করুন একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। ব্যথা কমে যাবে।

* আদা বা লেবুর রস  আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

জেনে নিন ৭৩ ভাষায় ‘আই লাভ ইউ’

সঙ্গীকে চমকে দিতে জেনে নিন!

সঙ্গীকে চমকে দিতে জেনে নিন কত রকম ভাবে সঙ্গীকে প্রেম নিবেদন করতে পারবেন আপনি? প্রশ্নটা যদি আপনাকে করা হয় তাহলে নিশ্চয়ই মাথা ঘামিয়ে ১০১টা উপায় বলবেন। কখনও রোমান্টিক ডেটে গিয়ে বা সারপ্রাইজ পার্টিতে, বা অভিনব উপহার দিয়ে অনেক কিছুই হয়তো পরিকল্পনা করবেন আপনি। কিন্তু নানান রকম ভাষায় ‘আমি তোমাকে ভালবাসি’ বলতে পারবেন কি? অন্য স্টাইলে প্রেম নিবেদন করে সঙ্গীকে চমকে দিতে চাইলে জেনে নিন ৭৩টি ভাষায় 'আই লাভ ইউ' বা ‘আমি তোমাকে ভালবাসি’। ১.বাংলা, আমি তোমাকে ভালবাসি। ২.ইংরেজি, আই লাভ ইউ। ৩.ইতালিয়ান, তি আমো। ৪.রাশিয়ান, ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ। ৫.কোরিয়ান, তাঙশিনুল সারাঙ হা ইয়ো। ৬.কানাডা, নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন। ৭.জার্মান, ইস লিবে দিস। ৮.রাখাইন, অ্যাঁই সাঁইতে। ৯.ক্যাম্বোডিয়ান, বোন স্রো লানহ্উন। ১০.ফার্সি, দুস্তাত দারাম। ১১.তিউনিশিয়া, হাহেক বাক। ১২.ফিলিপিনো, ইনবিগ কিটা। ১৩.লাতিন, তে আমো। ১৪.আইরিশ, তাইম ইনগ্রা লিত। ১৫.ফ্রেঞ্চ, ইয়ে তাইমে। ১৬.ডাচ, ইক হু ভ্যান ইউ। ১৭.অসমিয়া, মুই তোমাকে ভাল্ পাও। ১৮.জুলু, মেনা তান্দা উইনা। ১৯.তুর্কি, সেনি সেভিউর ম। ২০.মহেলি, মহে পেন্দা। ২১.তামিল, নান উন্নাই কাদালিকিরেন। ২২.সহেলি, নাকু পেন্দা। ২৩.ইরানি, মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম। ২৪.হিব্রু, আনি ওহেব ওটচে (মেয়েকে ছেল) আনি ওহেব ওটচা (ছেলেকে মেয়ে)। ২৫.গুজরাটি, হুঁ তানে পেয়ার কার ছু। ২৬.চেক, মিলুই তে। ২৭.পোলিশ, কোচাম গিয়ে। ২৮.পর্তুগীজ, ইউ আমু তে। ২৯.বসনিয়ান, ভলিম তে। ৩০.তিউনেশিয়ান, হা এহ বাদ। ৩১.হাওয়াই, আলোহা ওয়াউ লা ওই। ৩২.আলবেনিয়া, তে দুয়া। ৩৩.লিথুনিয়ান, তাভ মায়লিউ। ৩৪.চাইনিজ, ওউ আই নি। ৩৫.তাইওয়ান, গাউয়া আই লি। ৩৬.পার্শিয়ান, তোরা ডোস্ট ডারাম। ৩৭.মালয়শিয়ান, সায়া চিনতা কামু। ৩৮.মায়ানমার, মিন কো চিত তাই। ৩৯.ভিয়েতনামিস, আনাহ ইউই এম (ছেলে মেয়েকে) এম ইউই আনাহ (মেয়ে ছেলেকে)। ৪০.থাইল্যান্ড, চান রাক খুন (ছেলে মেয়েকে) ফেম রাক খুন (মেয়ে ছেলেকে)। ৪১.গ্রিক, সাইয়াগাপো। ৪২.চেক, মিলুই তে। ৪৩.বর্মিজ,  চিত পা দে। ৪৪.পোলিশ, কোচাম গিয়ে। ৪৫.মালয়ি, আকু চিন্তা কামু। ৪৬.ব্রাজিল, চিতপাদে। ৪৭.হিন্দি, ম্যায় তুমছে পেয়ার করতাহুঁ। ৪৮.জাপানী, কিমিও আইশিতের। ৪৯.পাকিস্তান, মুজে তুমছে মহব্বত হায়। ৫০.ফার্সি, ইয়ে তাইমে। ৫১.সিংহলিজ, মামা ও বাটা আছরেই। ৫২.পাঞ্জাবী, মেয় তাতনু পেয়ার কারতা। ৫৩.আফ্রিকান, এক ইজ লফি ভির ইউ। (ছেলে মেয়েকে) এক হাত যাও লিফ (মেয়ে ছেলেকে)। ৫৪.তামিল , নান উন্নাহ কাদা লিকিরেণ। ৫৫.রোমানিয়া, তে ইউবেস্ক। ৫৬.স্লোভাক, লু বিমতা। ৫৭.নরওয়ে, ইয়েগ এলস্কার দাই। ৫৮.স্প্যানিশ, তে কুইয়েবু। ৫৯.ফিলিপাইন, ইনি বিগকিটা। ৬০.বুলগেরিয়া, অবি চামতে। ৬১.আলবেনিয়া, তে দাসরোজ। ৬২.গ্রীক. সাইয়াগাফু, ৬৩.এস্তোনিয়ান, মিনা আর মাস্তান সিন্দ। ৬৪.ইরান, সাহান দুস্তাহত দোহরাম। ৬৫.লেবানিজ, বহিবাক। ৬৬.ক্যান্টনিজ, মোই ওইয়া নেয়া। ৬৭.ফিনিশ, মিন্যা রাকাস্তান সিনোয়া। ৬৮.গ্রিনল্যান্ড, এগো ফিলো সু। ৬৯.আরবী, আনা বেহিবাক (ছেলে মেয়েকে) আনা বেহিবেক (মেয়ে ছেলেকে)। ৭০.ইরিত্রয়ান, আনা ফাতওকি। ৭১.ইথিওপিয়ান, ইনি ওয়াডিসাল্লেহ। ৭২.তেলেগু, নেনু নিন্নু প্রেমিসতুন্নানু। ৭৩.সুরিনাম, মি লোবি যোই।

ফেসবুকে যা কখনই করবেন না!


সোশ্যাল মিডিয়ায় কী করবেন, কী করবেন না





বর্তমানের সময়টাই ফেসবুক টুইটারের। আধুনিক সভ্যতার এ যুগে অনলাইন ‘‌ইমেজ’‌ ধরে রাখাটাও জরুরি হয়ে পড়েছে অনেকের কাছেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ফেসবুক চ্যাট কিংবা নিজে ওয়ালে উল্টোপাল্টা কিছু লিখে ফেললে তার মাশুল গুণতে হবে কিন্তু নিজেকেই। সে জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় কী করবেন, কী করবেন না তার জন্য রইল কিছু পরামর্শ-বর্তমানের সময়টাই ফেসবুক টুইটারের। আধুনিক সভ্যতার এ যুগে অনলাইন ‘‌ইমেজ’‌ ধরে রাখাটাও জরুরি হয়ে পড়েছে অনেকের কাছেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ফেসবুক চ্যাট কিংবা নিজে ওয়ালে উল্টোপাল্টা কিছু লিখে ফেললে তার মাশুল গুণতে হবে কিন্তু নিজেকেই। সে জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় কী করবেন, কী করবেন না তার জন্য রইল কিছু পরামর্শ:-

১। নিজের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য দেবেন না। কী করেন, কোন শহরে থাকেন এই ধরনের প্রাথমিক তথ্য ফেসবুক বা টুইটারে দিতেই পারেন। তবে কোন বিভাগে কোন পদে কাজ করেন, অফিসের ঠিকানা কী অথবা বাড়ির নিখুঁত ঠিকানা— এসব দেওয়ার দরকার নেই মোটেও।

২। যতই কৌতূহল হোক, কখনও কারও ওপরে নজর রাখার চেষ্টা করবেন না। কারণ এই স্বভাব বিপদ ডেকে আনবেই।

৩। অনলাইনে ঝগড়া করে কোনও দিন কারও দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো যায় না। বরং আপনাদের ঝগড়া হয়ে উঠতে পারে অন্যের হাসির খোরাক হয়ে উঠবে। তাই কোনও পরিস্থিতিতেই অনলাইন ঝামেলায় জড়াবেন না। যাঁর সঙ্গে আপনার বিবাদ, তিনি যদি আপনার নিকট কেউ হন, তাহলে পরে সামনাসামনি বা টেলিফোনে মীমাংসা করে নিন।

৪। নিজের সম্পর্কে মিথ্যা বলবেন না কোনও পরিস্থিতিতেই। অনেকেই নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য একটু আধটু বাড়িয়ে বলেন। এই অভ্যাস একবার ধরা পড়ে গেলে কিন্তু মানসম্মান তছনছ হয়ে যাবে।

৫। প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে ফ্লার্ট করার প্রবণতা রয়েছে অনেকের। এই অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। পারলে ঘনিষ্ঠতাও এড়িয়ে চলুন। এটা আপনার বর্তমান প্রেমিক বা প্রেমিকার কাছে বিরক্তিকর হতে পারে।

Thursday, December 1, 2016

'One Finger Selfie' নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়!


 সেলফি পাগলদের পাগলামী।




কত রকম সেলফিই না দেখা যায় বিশ্বজুড়ে। আবার সেলফি তুলতে গিয়ে নানা দুর্ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। তবুও থেমে নেই সেলফি পাগলদের পাগলামী। তবে এবার সেলফি তোলার এক অদ্ভুত ভঙ্গিমার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এই সেলফিকে বলা হচ্ছে 'One Finger Selfie'।  অনেকেই নিজেদের ছবি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তুলেছে। আর তা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করছে। তবে নতুন এই সেলফি ভঙ্গিমাটা অদ্ভুত। ভাইরাল হওয়া সেলফিতে পুরো নগ্ন হয়ে শুধু একটা আঙুলের সাহায্যে নিজের গোপনাঙ্গ ঢাকতে দেখা যাচ্ছে। আর এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে রীতিমত ভাইরাল। প্রথমে জাপান থেকে শুরু হয় এই চ্যালেঞ্জ। ধীরে ধীরে তা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছ এখন। এক আর্টিস্টের মাথা থেকে এমন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার বুদ্ধি প্রথম আসে বলে জানা গেছে। এদিকে সামাজিক অবক্ষয়ে এই ধরনের সেলফি আরও একটি কারণ হয়ে দাড়াবে বলে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।

কুকুরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, যুবতীর কারাদণ্ড


জেনা তার পোষা কুকুরের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছেন!

ব্রিসবেনের বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী জেনা লুইস ড্রিসকোর বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। মাদক চোরাচালান থেকে শিশু নির্যাতন, মারামারি- এমন ভুরিভুরি অপরাধে নিজেকে জড়িয়েছেন। এবার তার নতুন যে অপরাধের খোঁজ পাওয়া গেল তা বেশ চমকে ওঠার মতোই। জেনা তার পোষা কুকুরের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছেন! না, ওই কুকুর কিন্তু পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ দেয়নি! অন্য একটা ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই বিষয়টা সামনে চলে আসে। বিষয়টা আদালতে গড়ালে প্রথমে সবকিছুই অস্বীকার করেন জেনা লুইস। পরে অবশ্য জেরার মুখে স্বীকার করেন। বিচারক টেরি মার্টিন এ অপরাধে জেনার চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। চলতি বছরের আগস্টে জেনার বিরুদ্ধে কুকুরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করাসহ চারটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন জেনা। তবে গতসপ্তাহে প্রথমবার তিনি অভিযোগ স্বীকার করেন। অস্ট্রেলিয়ায় অস্বাভাবিক যৌনতা এবং পশুক্লেশ বিরোধী আইন অত্যন্ত কড়া। আদালতে জেনার পক্ষের আইনজীবী জেমস গডবোল্ট বলেন, এই তরুণী তার প্রেমিকের অনুরোধেই কুকুরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। বিচারক টেরি মার্টিনের উপস্থিতিতে জেনা স্বীকার করে নেন, এর আগে তিনি একজনের শরীরে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন এবং একটি শিশুকে কামড়ে দিয়েছিলেন। তিনি মাদকদ্রব্য চোরাচালানের সঙ্গেও জড়িত। ২০১৪ সালে মাদক চোরাচালান বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জেনার মোবাইলে তিনটি আপত্তিকর ভিডিও পায় পুলিশ। আর তাতেই কুকুরের সঙ্গে জেনার যৌনতার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। এরপরই জেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।